জুঁইফুল দিয়ে তৈরি বিশেষ তেল চুলের ঘনত্ব বাড়িয়ে তুলতে পারে, কী ভাবে তৈরি করবেন?

16th December 2023 11:11 pm Country News
জুঁইফুল দিয়ে তৈরি বিশেষ তেল চুলের ঘনত্ব বাড়িয়ে তুলতে পারে, কী ভাবে তৈরি করবেন?


চুলের ঘনত্ব বাড়িয়ে তুলতে অনেক কিছুই তো ব্যবহার করেছেন। সেই টোটকায় চুল পড়ার হার কমলেও চুলের ঘনত্ব বাড়িয়ে তোলা বা চুলের মান ভাল করা যাচ্ছে না। কেশচর্চা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ত্বকচর্চায় যেমন গোলাপের ভূমিকা রয়েছে, তেমন কেশচর্চায় আবার জুঁইফুল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এই ফুল দিয়ে তৈরি তেল কিন্তু চুলের যাবতীয় সমস্যার সমাধান করতে পারে। পাশাপাশি, মাথার ত্বকের সংক্রমণও রুখে দিতে পারে এই তেল। বাজারে নামী-দামি বিভিন্ন সংস্থার জুঁইফুলের তেল পাওয়া যায়। কিন্তু সে সব বেশ খরচসাপেক্ষ। তবে বাড়িতেও এই তেল তৈরি করে ফেলা যায়। রইল পদ্ধতি।

পদ্ধতি:

 

১) টাটকা জুঁইফুল হলে প্রথমে ভাল করে সেগুলি ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। ফুল শুকনো হলে আর ধোয়ার প্রয়োজন নেই।

 

২) এ বার কাচের পাত্রে পরিমাণ মতো নারকেল তেল নিন। তবে নারকেল তেল ব্যবহার করতে না চাইলে কাঠবাদামের তেল, অলিভ অয়েল বা তিলের তেলও ব্যবহার করতে পারেন।

 

৩) এর মধ্যে দিয়ে দিন শুকনো ফুল। খেয়াল রাখতে হবে তেলের মধ্যে ফুলগুলি যেন পুরোপুরি ডুবে থাকে।

 

৪) তেলের মধ্যে মিশিয়ে নিন ভিটামিন ই এবং কয়েক ফোঁটা রোজ়মেরি অয়েল।

 

৫) এ বার তেলের শিশির মুখ ভাল করে বন্ধ করে, এমন জায়গায় রাখুন যেখানে আলো, হাওয়া কম পৌঁছায়। জল লাগতে পারে এমন জায়গায় রাখলেও কিন্তু চলবে না।

 

৬) এই ভাবে দুই থেকে চার সপ্তাহ রেখে দিতে হবে কাচের শিশি। মাঝেমধ্যে পরিষ্কার একটি চামচের সাহায্য তেল নাড়াচাড়া করে দিতে হবে।

 

৭) মাস খানেক এই অবস্থায় থাকার পর ছাঁকনি দিয়ে তেল ছেঁকে নিতে হবে। তেলের মধ্যে থাকা জুঁইফুলগুলি তুলে ফেলে দিতে পারেন।

 

৮) পরিষ্কার অন্য একটি কাচের শিশিতে তেল ঢেলে রেখে দিন। স্নান করার আধঘণ্টা আগে এই তেল মেখে রাখুন। হালকা গরমও করে নিতে পারেন।

 

৯) তার পর হালকা কোনও শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিলেই হবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।