খুব সামান্য খরচেই শীতকালেও পান উজ্জ্বল মাখনের মতো ত্বক বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন নাইটক্রিম

15th January 2024 7:20 am Country News
খুব সামান্য খরচেই শীতকালেও পান উজ্জ্বল মাখনের মতো ত্বক বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন নাইটক্রিম


আমাদের ত্বকের প্রয়োজনীয় পুষ্টি এবং পরিচর্যা করা যায় ঘুমিয়ে ঘুমিয়েই। এটা অবশ্যই জেনে রাখা দরকার যে, দিনে এবং রাতে দুটি আলাদা সময়ে আমাদের ত্বকের চাহিদাও আলাদা থাকে। তাই আমরা একই ক্রিম দুটি সময় ব্যবহার করলে স্কীনের সমস্যার কোনও সমাধান হবে না। শীতের হিমেল হাওয়ার ক্রমশ রুক্ষ হয়ে যাচ্ছে ত্বক।আর সারাদিনে অফিসের ব্যস্ততার ফলে অনেকটা সময় ত্বকের প্রতি নজর দেওয়া হয় না।সারাদিন ধরে বাইরের ধুলো, পলিউশন ছাড়াও সারা দিনের ক্লান্তি আপনার ত্বকের ক্ষতি করে। ফলে আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা নষ্ট হতে থাকে ধীরে ধীরে। তাই রাতের সময় চাইলেই ত্বকের যত্ন নেওয়া সম্ভব। তাই আপনি সম্পূর্ণ ঘরোয়া পদ্ধতিতে নাইটক্রীম তৈরি করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বজায় রাখুন শীতকালেও।

তবে দেখে নেওয়া যাক এই নাইট ক্রিম তৈরী করতে কি কি উপাদান প্রয়োজন-

১/২ কাপ আমন্ড তেল

১/২ কাপ নারকেল তেল

৪ টেবিল চামচ গোলাপ জল

৪ টেবিল চামচ গ্লিসারিন

কিভাবে বানাবেন-

একটি স্টেইনলেস স্টীল প্যানে আমন্ড তেল গরম হতে দিন।

গরম হয়ে গেলে তাতে নারকেল তেল দিয়ে দিন।

এই দুই তেল খুব ভাল করে ফুটতে দিন।

যখন একটু ঘন হয়ে আসবে তখন এর মধ্যে গোলাপ জল দিয়ে দিন এবং ভাল করে মিশিয়ে দিন। এরপর দিয়ে দিন গ্লিসারিন।

দেখবেন ঘন হয়ে ক্রিম তৈরি হয়ে গেছে।

এয়ারটাইট কন্টেনারে ক্রিমটি সংগ্রহ করতে পারেন।

নিজের ক্রিম নিজেই তৈরি করে শীতেও পান নরম তুলতুলে ত্বক।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।