কাপড় থেকে যেকোন দাগ তুলতে পারবেন চুটকিতেই এরজন্য আপনার যা যা করণীয় দেখুন একঝলক

15th January 2024 7:24 am Country News
কাপড় থেকে যেকোন দাগ তুলতে পারবেন চুটকিতেই এরজন্য আপনার যা যা করণীয় দেখুন  একঝলক


কাপড় থেকে যে কোন দাগ তুলুন এই ঘরোয়া উপায়ে- বেশিরভাগ সময় রান্না করতে গেলে অসাবধানতাবশত পোশাকে তেলের দাগ লেগে যায়। এছাড়া খাবার খাওয়ার সময়ও এই দাগ লাগতে পারে। অনেকের ধারণা, তেলের দাগ পোশাক থেকে আর উঠবে না। পোশাকটি বোধ হয়একেবারেই নষ্ট হয়ে গেল! এইটা একদমই ভুল ধারণা। কারণ তেলের দাগ তোলা মোটেই খুব কঠিন কাজ নয়।সহজ একটি উপায়ে পোশাকের রঙ অক্ষত রেখেই আপনি তেলের দাগ উঠাতে পারবেন। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক সেই সহজ উপায়টি সম্পর্কে- যা যা লাগবে লিকুইডসোপ, হাউড্রোজেন পারঅক্সাইড, বেকিং সোডা, টুথব্রাশ। যে পদ্ধতিতে দাগ তুলবেন দাগ লাগার স্থানে সামান্য লিকুইড সোপ লাগিয়ে দিন। ছোট বাটিতে জল নিয়ে তার মধ্যে সাবান লাগানো অংশ ডুবিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। একইভাবে আবারো লিকুইড সাবান মাখিয়ে স্থানটি ধুয়ে নিন।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এতেই দাগ চলে যায়। এরপরেও যদি দাগ না যায়; তাহলে লিকুইড সোপ আবার মাখিয়ে দিন দাগ লাগা জায়গায়। এর উপরে কিছুটা হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড ঢেলে দিন। এরপরে বেকিং সোডা দিয়ে চাপা দিন। টুথব্রাশ দিয়ে দাগ লাগা জায়গাটা হালকা করে ঘষুন।

একবারে পুরো দাগ না উঠলে, কয়েক বার এ পদ্ধতি অনুসরণ করলেই কাপড় থেকে তেলের দাগ উঠবে দ্রুত। তবে দাগ পুরো না উঠলে কাপড়টি শুকানো যাবে না। তাহলে দাগ পাকাপাকিভাবে বসে যেতে পারে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।