কটন বাডস ছাড়াই পরিষ্কার করুন কানের ময়লা শিখেনিন উপায়

16th January 2024 8:37 pm Country News
কটন বাডস ছাড়াই পরিষ্কার করুন কানের ময়লা শিখেনিন উপায়


অনেকেই কান চুলকোলে বা কানের ময়লা পরিষ্কার করতে কটন বাড ব্যবহার করেন। অনেকের আবার কোনো প্রয়োজন ছাড়াই শুধুমাত্র স্বভাবের দোষে প্রায়ই কানে কটন বাড ব্যবহার করেন। কারণ কানের ভেতর কটন বাডের নড়াচড়ায় আরাম হয়।জানেন কি, কটন বাডস ব্যবহার করা মোটেও ঠিক নয়। এতে আপনার কানের ক্ষতি হওয়ার ভয় থাকে।ভারতের জীবনধারা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের এক প্রতিবেদনে কটন বাডস ব্যবহার না করে কান পরিষ্কার করার তিনটি উপায় জানানো হয়েছে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক সেই উপায়গুলো-

>> কানের বাইরের অংশ পরিষ্কার রাখুন। কেবলমাত্র আপনার কানের বাইরের অংশের জন্য কটন বাড ব্যবহার করতে পারেন, তবে আরও ভালো যদি আপনি পরিষ্কার ভেজা কাপড় দিয়ে কানের বাইরের দিকটি মুছতে পারেন।

>> কানের ভেতর পরিষ্কার করতে হলে প্রথমে কয়েক ফোঁটা বেবি অয়েল বা গ্লিসারিন বা কানের ড্রপ দিন। এটা কানে থাকা ময়লা নরম করে দেবে। কয়েকদিন পর কয়েক ফোঁটা গরম জল কানে ঢালবেন। তারপর যেদিকের কানে জল দিয়েছেন সেদিকে মাথা ঝুঁকিয়ে জলটা বের করে দিন। জল বেরিয়ে গেলে কানের বাইরের অংশটা টাওয়াল দিয়ে মুছে নিন। কোনোভাবেই কটন বাডস বা অন্য কিছু কানের ভেতরে ঢোকাবেন না।

>> মাথা একদিকে কাত করে ওপর দিকে থাকা কানে কয়েক ফোঁটা হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড দিন। ১০ থেকে ১৫ মিনিট ওইভাবে থাকুন। তারপর মাথাটা উল্টো করলে দেখবেন কানের ভেতরে থাকা সলিউশন বেরিয়ে আসবে। সঙ্গে কানও পরিষ্কার হয়ে যাবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।