সিগারেট খেয়ে খেয়ে ঠোঁট কালো? আগের রঙে ফিরিয়ে আনতে করুন এই ছোট্ট কাজটি

18th January 2024 6:53 pm Country News
সিগারেট খেয়ে খেয়ে ঠোঁট কালো? আগের রঙে ফিরিয়ে আনতে করুন এই ছোট্ট কাজটি


অতিরিক্ত ধূমপান করা স্বাস্থ্যের পক্ষে মোটেও উপকারী নয়। ধূমপান ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। এছাড়া অতিরিক্ত ধুমপানের কারণে ঠোঁটের রঙও বদলে যায়। স্বাভাবিক সৌন্দর্য হারিয়ে লাল ঠোঁটে কালো আবরণ পড়ে যায়।এই কালো ঠোঁট নিয়ে অনেককেই বিপাকে পড়তে হয়। তবে কয়েকটি ঘরোয়া টোটকা ব্যবহার করলেই ফিরে পাওয়া সম্ভব ঠোঁটের স্বাভাবিক রং।চলুন জেনে নেয়া যাক সেই ঘরোয়া উপায়গুলো সম্পর্কে-

গ্লিসারিন ও পাতিলেবু

ময়শ্চারাইজ করার জন্য গ্লিসারিন খুব উপকারী। লেবু স্বাভাবিক স্ক্রাবার। আর যখন এই দু'টি উপাদান একসঙ্গে কাজ করবে তখন ম্যাজিকের মতো কাজ করে। তাই এই প্যাকটি বাড়িতে তৈরি করে দেখতে পারেন। গ্লিসারিন ও পাতিলেবু একসঙ্গে মিশিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন। কয়েক মিনিট রেখে জল দিয়ে ধুয়ে দিন।

চিনি ও পাতিলেবুর রস

কালো ঠোঁটে রং ফেরানোর আরো একটি উপায়ও রয়েছে। এক চামচ চিনির মধ্যে কয়েক ফোঁটা পাতিলেবুর রস দিন। এটি ঠোঁটে লাগিয়ে দিন। কয়েক মিনিট এভাবে স্ক্রাব করুন। এরপর জল দিয়ে ঠোঁট ধুয়ে ফেলুন।

বীটরুট প্যাক

বীট ঘষে তার রস লাগান ঠোঁটে। গোলাপি রং ফিরে আসবে। এছাড়া ঠোঁটের ফাটা ভাব কমাতেও সাহায্য করে বীট। তবে শুধু বীটের রস ব্যবহার না করে তার সঙ্গে পাতিলেবুর রস মিশিয়েও ঠোঁটে মালিশ করতে পারেন। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। বেশ কয়েকদিন এই প্যাক লাগালে ঠৌঁটের স্বাভাবিক রং ফিরে আসবে।

টুথব্রাশ

শুধু দাঁতের জন্য কিন্তু টুথব্রাশ নয়। আরো অনেক কাজে লাগে এটি। তার মধ্যে একটি হলো ঠোঁটের যত্ন। ঠোঁটে একটু পেট্রলিয়াম জেলি লাগিয়ে ব্রাশ দিয়ে হালকা করে ঘষুন। পাঁচ মিনিট প্রক্রিয়াটি চালিয়ে যান। এবার জল দিয়ে ধুয়ে নিয়ে ফের পেট্রলিয়াম জেলি ব্যবহার করুন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।