লুচি কিংবা পরোটার সঙ্গে জল খেলে অম্বল হতে পারে, বদলে গরম দুধ চা চলতে পারে কি?

20th January 2024 7:29 pm Country News
লুচি কিংবা পরোটার সঙ্গে জল খেলে অম্বল হতে পারে, বদলে গরম দুধ চা চলতে পারে কি?


আগের রাতে লুচি কিংবা পরোটা বেঁচে গেলে তা সকালের জলখাবারে দিব্য খাওয়া যায়। শীতে ফুলকপি, আলু কিংবা মুলো দিয়ে তৈরি পরোটা খেতে মন্দ লাগে না। সকালের জলখাবারের সঙ্গে অনেক বাড়িতেই দুধ চা খাওয়ার রেওয়াজ বহু পুরনো। তবে চিকিৎসকেরা বলছেন, এমন অভ্যাস কিন্তু বিপদ ডেকে আনতে পারে।

শুধু লুচি বা পরোটা নয়, পুষ্টিবিদেরা বলছেন তেলে ভাজা যে কোনও খাবারের সঙ্গে গরম দুধ চা খেলে অম্বল হতে পারে। চা, কফির মতো পানীয়ে রয়েছে ক্যাফিন। যা পাকস্থলীর মধ্যে থাকা উৎসেচকের ভারসাম্য নষ্ট করে। সঙ্গে লুচি বা পরোটা খেলে সেই সমস্যা আরও বেড়ে যায়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, সকালে দুধ চা খেলে এমনিতেই অন্ত্রে খারাপ ব্যাক্টেরিয়া বেড়ে যেতে পারে। তা ছাড়া ‘জিইআরডি’র মতো সমস্যাও বেড়ে যেতে পারে। যা অ্যাসিড রিফ্লাক্স-এর প্রবণতা বাড়িয়ে তোলে। চায়ের মধ্যে ‘ফেনোলিক’ নামক একটি উপাদান রয়েছে। যা অন্ত্রে আয়রন শোষণেও বাধা দিতে পারে। যাঁরা রক্তাল্পতায় ভুগছেন, এই ধরনের ভাজা খাবার খাওয়ার পর দুধ চা খেলে তাঁদের বমি, মাথাধরা, গ্যাস, অম্বলের মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

যদি না জেনে পরোটা বা লুচির সঙ্গে দুধ চা খেয়েই ফেলেন, সে ক্ষেত্রে কী করণীয়?

পুষ্টিবিদেরা বলছেন, তেলে ভাজা কোনও খাবার খাওয়ার অন্তত ১ ঘণ্টা পর দুধ চা খাওয়া যেতে পারে। তবে গ্রিন টি বা দুধ, চিনি ছাড়া আদা দেওয়া চা খেতে পারলে সব চেয়ে ভাল। একান্ত যদি দুধ চা খাওয়ার অভ্যাস ছাড়তে না পারেন তা হলে ভাজা খাবার বন্ধ করতে হবে। বদলে বেক্‌ড, সেঁকা কিংবা সেদ্ধ খাবার খেতেই পারেন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।