ভারী দুল পরলেই কানে যন্ত্রণা হয়? ফ্যাশনের সঙ্গে আপস নয়, ৩ টোটকা জানলেই হবে মুশকিল আসান

1st February 2024 5:00 pm Country News
ভারী দুল পরলেই কানে যন্ত্রণা হয়? ফ্যাশনের সঙ্গে আপস নয়, ৩ টোটকা জানলেই হবে মুশকিল আসান


শীতকাল মানেই তো একের পর এক বিয়ের নিমন্ত্রণ। আর বিয়েবাড়ি মানেই প্রচুর খাওয়াদাওয়া আর সাজগোজের সুবর্ণ সুযোগ। বিয়েবাড়িতে যাঁরা খুব বেশি গয়না পরতে ভালবাসেন না, তাঁরা কানে একটি ভারী দুল পরে ফেলেন। শাড়ি হোক কিংবা আনারকলি, সঙ্গে কানে বড়মাপের ঝুমকো কিংবা স্টেটমেন্ট দুল পরার চল এখন ফ্যাশনে ভীষণ ‘ইন’। পরতে ভাল লাগলেও ভারী দুল পরে দু’-চার ঘণ্টা কাটানোর পর কানে ব্যথা হয় অনেক সময়ে। ব্যথা হলেও সাজের সঙ্গে আপস করতে নারাজ অনেকে। তবে সব সমস্যারই সমাধান রয়েছে। ভারী দুল পরার সময়ে কি‌ছু টোটকা মেনে চললে আর যন্ত্রণা সইতে হবে না আপনাকে। কী সেই টোটকা, রইল হদিস।

১) বড় কোনও দুল পরার আগে কানের লতিতে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। কানের পাতায় হাত দেবেন না। শুকিয়ে এলে সাবধানে দুলটি পরে নিন। এতে ব্যথা হবে না আর কানে চাপও পড়বে না। এ ছাড়া, ওষুধের দোকানে অবশ করার জন্য ক্রিম পাওয়া যায়। সেই ক্রিমও কানের লতিতে লাগিয়ে নিতে পারেন।

 

২) ভারী কানের দুলের সঙ্গে সাধারণত ছোট ধূসর রঙের প্যাচ থাকে। এই প্যাচগুলি কানের লতিতে বেশি চাপ সৃষ্টি করে, ফলে কানে ব্যথা হয়। এই ধরনের প্যাচের বদলে ভারী এবং বড় কানের দুলের সঙ্গে রবারের তৈরি প্যাচ ব্যবহার করুন। তাতে লতির উপর বাড়তি চাপ পরবে না।

৩) ভারী কানের দুলের সঙ্গে সাধারণত আলাদা করে চেন দেওয়া থাকে। চেনের এক প্রান্ত দুলের সঙ্গে ও অন্য প্রান্তটি চুলের সঙ্গে বেঁধে নিলে ব্যথা লাগবে না কানে। আর কানের দুলের সঙ্গে কোনও চেন না থাকলে কিংবা চেন পরতে না চাইলে কানের ছিদ্রের পিছন দিকে একটি ব্যান্ড-এড লাগিয়ে নিন। তার পরে দুলটি পরলে আর ব্যথা হবে না।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।