বাড়িতে বানানো দোসা মুচমুচে হয় না? ৫ ভুলেই বিগড়ে যেতে পারে দক্ষিণী খাবারটির স্বাদ

2nd February 2024 9:31 pm Country News
বাড়িতে বানানো দোসা মুচমুচে হয় না? ৫ ভুলেই বিগড়ে যেতে পারে দক্ষিণী খাবারটির স্বাদ


দক্ষিণী খাবারের প্রতি বাঙালির ভালই টান আছে। শহর জুড়ে দক্ষিণী রেস্তরাঁর ছড়াছড়ি। আর সেই সব দোকানের সামনে সকালের দিকে ভিড় থাকে চোখে পড়ার মতো। দক্ষিণের খাবারের মধ্যে বাঙালির পছন্দের তালিকায় প্রথম দিকে থাকে দোসা। দোসা নিয়ে এখন অবশ্য নানা রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষাও রেস্তরাঁগুলি। চিজ় দোসা, সেজ়ুয়ান দোসা, পেরিপেরি দোসা— আরও কত কী!অনেকেই বাড়িতে বানিয়ে ফেলেন দোসা। খেতে ভাল হলেও বাড়িতে তৈরি দোসায় দোকানের মতো মুচমুচে ভাব আসে না। জেনে নিন দোসা বানানোর আগে কোন ৫ টি কথা সব সময় মাথায় রেখে চলবেন।

১) দোসা কুড়মুড়ে না হওয়ার অন্যতম বড় কারণ হল চাল, ডালের পরিমাণ বিগড়ে যাওয়া। বিউলির ডাল ও চাল সঠিক পরিমাণে নেওয়া না হলেই দোসার স্বাদ খারাপ হয়ে যায়। দোসা বানানোর সময় ৪ কাপ চালের সঙ্গে নিতে হবে ১ কাপ ডাল। চাল-ডাল মিক্সিতে ঘুরিয়ে ঘোল তৈরির সময়ে জলের মাত্রা বেশি পড়ে গেলেও মুশকিল।

২) চাল-ডালের মিশ্রণটি ভেজানোর সময় একটি বড় পাত্র বেছে নিন। ছোট পাত্রে চাল-ডাল ভেজাবেন না। চাল-ডাল যেন ভাল ভাবে জল টেনে নিতে পারে, সে দিকে নজর দিতে হবে।

৩) চাল-ডাল বাটার সঙ্গে সঙ্গে দোসা বানাতে শুরু করবেন না। মিশ্রণটিকে ঠিক মতো মজতে দিতে হবে। গরম থাকলে সূর্যের আলো সরাসরি আসে না এমন জায়গায় অন্তত ৬ ঘণ্টা রেখে দিতে পারেন দোসার মিশ্রণ। শীতের সময় মিশ্রণটি মজতে বেশি সময় লাগে। সে ক্ষেত্রে দোসা বানানোর অন্তত ১২ থেক ১৫ ঘণ্টা মিশ্রণটি বেটে রাখতে হবে।

তাওয়া গরম না হলে কখনওই দোসা মুচমুচে হবে না। ছবি: সংগৃহীত।

৪) দোসার মিশ্রণটি ফ্রিজে রাখবেন না যেন। ফ্রিজে রেখে দিলে দোসার মিশ্রণটি ভাল করে মজবে না। ফলে দোসায় দোকানের মতো টক ভাব আসবে না। ঘরের তাপমাত্রাতেই মিশ্রণটিকে মজতে দিন ভাল ভাবে।

৫) তাওয়া গরম না হলে কখনওই দোসা মুচমুচে হবে না। দোসা বানানোর সময়ে তাওয়াটি খুব ভাল করে গরম করে নিতে হবে। গরম তাওয়ায় খানিকটা ঠান্ডা জল ছিটিয়ে ভাল করে মুছে নিন। তার পর পরিমিত মিশ্রণ নিয়ে ভাল করে তাওয়ায় ছড়িয়ে নিতে হবে, খেয়াল রাখবেন যেন দোসাটি খুব পাতলা হয়।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।