কোলেস্টেরলের চোখরাঙানি বাড়ছে? ঘুম থেকে উঠে একটি কাজ করলেই জব্দ হবে এই রোগ।

10th February 2024 2:34 pm Country News
কোলেস্টেরলের চোখরাঙানি বাড়ছে? ঘুম থেকে উঠে একটি কাজ করলেই জব্দ হবে এই রোগ।


ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এক কোয়া রসুন। স্বাস্থ্যবিদদের মতে, সকালের এই অভ্যাস বিভিন্ন রোগবালাই থেকে দূরে থাকার ভাল দাওয়াই হতে পারে। জীবনধারায় নানা প্রকার অনিয়ম, খাওয়াদাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ না রাখা, শরীরচর্চায় অনীহা— এই সব কারণে শরীরে যে সব রোগ বাসা বাঁধতে পারে, তার ঝুঁকি কমাতে এক কোয়া রসুনের উপর ভরসা রাখতেই পারেন।

প্রাকৃতিক ভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ঠাসা এই সব্জির গুণ অনেক। এর সঙ্গে থাকে ভিটামিন বি এবং সি, ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, আয়রন। অনেকটা সময় পেট খালি থাকার পর রসুন খেলে এর রস সহজে শরীরকে ডিটক্সিফাই করতে পারে বেশি পরিমাণে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর বিপাকহার একটু বেশি থাকে। তাই খালি পেটে এই সব্জি খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। রোজ সকালে রসুন খাওয়ার অভ্যাস কোন কোন রোগের হাত থেকে রেহাই দিতে পারে?

 

১) শীত বিদায় নিচ্ছে ধীরে ধীরে। এই সময় ঘরে ঘরে গলাব্যথা, সর্দিকাশি লেগেই থাকে। এই সব সমস্যা থেকে রেহাই দেওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে রসুন। সাইনাসের সমস্যা, জ্বর, ফ্লু সারানোর জন্য চিকিৎসকেরা অনেক সময়েই রসুন খাওয়ার পরামর্শ দেন।

৩) রসুন শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যাও দূর করে। অনেক সময়েই শীতকালে সর্দির জন্য বা অতিরিক্ত ঠান্ডা লাগার ফলে ফুসফুসের কর্মক্ষমতা কমে যায়। সেই সময়ে রসুন নিয়মিত খেলে ফুসফুসের জন্য তা খুবই কার্যকরী হতে পারে।

 

৪) রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখে রসুন। কমায় রক্তবাহ নালীর উপর রক্তের চাপও। তাই উচ্চ রক্তচাপের অসুখে ভুগছেন এমন রোগীদের ডায়েটে থাকুক এই আনাজ। বিপুল পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকার ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে রসুন।

 

৫) মহিলাদের ইস্ট্রোজ়েনের মাত্রা বাড়িয়ে হাড় ক্ষয়ে যাওয়ার প্রবণতা কমাতে পারে রসুন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।