দাম দিয়ে কোরিয়ান সিরাম না কিনে বাড়িতেই তা তৈরি করে ফেলতে পারেন, রইল পদ্ধতি

28th February 2024 12:23 am Country News
দাম দিয়ে কোরিয়ান সিরাম না কিনে বাড়িতেই তা তৈরি করে ফেলতে পারেন, রইল পদ্ধতি


বিনোদন জগতে ‘কে ড্রামা’র মতোই ত্বকচর্চায় এখন কোরিয়ান প্রসাধনীর রমরমা। কোরিয়ান অভিনেতাদের বৈশিষ্ট্য হল কাচের মতো স্বচ্ছ ত্বক। ব্রণ, দাগ-ছোপহীন ত্বক চান সকলেই। কিন্তু এমন কাচের মতো ত্বক পেতে যে প্রসাধনীই ব্যবহার করুন না কেন, তাতে কোরিয়ার নায়িকাদের মতো ত্বক স্বচ্ছ হয় না। এ দিকে, ভারতে যে সব কোরিয়ান প্রসাধনী পাওয়া যায়, তা কেনা অনেকেরই সাধ্যের বাইরে। তবে রূপচর্চার জন্য প্রাকৃতিক, ভেষজ উপকরণের উপর ভরসা করেন অনেকেই। তাঁরা বলছেন, সামান্য কিছু জিনিস দিয়ে কম খরচেই কোরিয়ান ফেস সিরাম তৈরি করে নেওয়া যায়।

কী কী লাগবে?

 

ভিটামিন ই ক্যাপসুল: ৩-৪টি

হোহোবা অয়েল: ১ টেবিল চামচ

 

রোজ়হিপ অয়েল: ১ টেবিল চামচ

 

আর্গন অয়েল: ১ টেবিল চামচ

 

ল্যাভেন্ডার অয়েল: ৫-৬ ফোঁটা

 

ফ্রেকিন্সেস অয়েল: ৫-৬ ফোঁটা

 

পদ্ধতি:

 

১) প্রথমে ড্রপার দেওয়া পরিষ্কার একটি কাচের শিশি নিন।

 

২) এ বার সব কটি উপকরণ একে একে ওই শিশির মধ্যে ঢেলে নিন।

 

৩) শিশির মুখ বন্ধ করে ঝাঁকিয়ে নিলেই তৈরি কোরিয়ান ভিটামিন ই সিরাম।

 

কখন, কী ভাবে মুখে ফেস সিরাম ব্যবহার করবেন?

ত্বকের যত্নে এই সিরাম মাখা যেতে পারে দিনে দু’বার। মাইল্ড কোনও ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে তার পর এই সিরাম ব্যবহার করতে পারেন। ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখা থেকে বলিরেখার সমস্যা— সবই নিরাময় করতে পারে এই প্রসাধনীটি। তবে অভিজ্ঞরা বলছেন, কোরিয়ান প্রসাধনী বাড়িতে তৈরি করলেও তা রাখতে হবে খুব যত্নে। এই সিরামের মূল উপদান হল এসেনশিয়াল অয়েল। তাই এই এর মধ্যে সমস্ত উপাদানই ভীষণ ভাবে সক্রিয়। শিশির গায়ে আলো বা রোদ লাগলেই তার গুণাগুণ কিন্তু নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই পারলে গাঢ় রঙের কাচের শিশি ব্যবহার করুন। ঘরের যে অংশে আলো কম পৌঁছয়, সেই রকম জায়গায় রাখুন সিরাম।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।