টাইপ ২ ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে টক দই নয়, অস্ত্র হতে পারে ইয়োগার্ট, রোজ খেতে হবে কি?

3rd March 2024 10:31 pm Country News
টাইপ ২ ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে টক দই নয়, অস্ত্র হতে পারে ইয়োগার্ট, রোজ খেতে হবে কি?


নিয়ম করে সপ্তাহে অনন্ত তিন দিন ইয়োগার্ট খেলে টাইপ ২ ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা যেতে পারে। তেমনটাই জানিয়েছে আমেরিকার খাদ্য নিয়ামক সংস্থা। ওই দেশেরই একটি ইয়োগার্ট প্রস্তুতকারী সংস্থা ২০১৮ সালে এই বিষয়ে সংস্থার থেকে সবুজ সংকেত চেয়েছিল। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ইয়োগার্টের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। যদিও বহু সংস্থাই ইয়োগার্টের মধ্যে চিনি দেয়। ইয়োগার্টে চিনি এবং ফ্যাটের পরিমাণ কম হলে এই খাবারের গুণ অটুট থাকে। শরীরে ইয়োগার্টের প্রভাব ইতিবাচক বলেই জানিয়েছেন হেল‌্‌থ এবং সায়েন্টিফিক অ্যাফেয়ার্স বিভাগের ডিরেক্টর আমান্ডা ব্লেকম্যান। নিয়ামক সংস্থা জানিয়েছে, ইয়োগার্টে পরিমিত পরিমাণে চিনি থাকলে তা ডায়েটে ‘শূন্য’ ক্যালোরি হিসেবেই যোগ হয়।

নিয়মিত ইয়োগার্ট খেলে যে টাইপ ২ ডায়াবিটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে, সে কথা ২০১৪ সালেই জানিয়েছিলেন হার্ভার্ড স্কুল অফ পাবলিক হেল্‌থ ডিপার্টমেন্ট অফ নিউট্রিশন-এর এক দল গবেষক। এ ছাড়াও বিভিন্ন দেশে ইয়োগার্ট সংক্রান্ত আরও ৩২টি গবেষণাপত্র রয়েছে। বিভিন্ন জায়গাতেই বলা হয়েছে, শুধুমাত্র গরুর দুধ থেকে তৈরি ইয়োগার্টই ডায়াবিটিসের ক্ষেত্রে উপকারী। গরুর দুধের কোনও বিকল্প কিন্তু একই রকম ভাবে কাজ করে না। যদিও ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে ইয়োগার্ট শরীরে ঠিক কী ভাবে কাজ করে সেই সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।