কাচ্চি বিরিয়ানির কথা মনে পড়লে আপনারও কি বাংলাদেশের কথা মনে আসে? তবে শিখে নিন বাংলাদেশি স্টাইলের এই বিরিয়ানি

13th March 2024 9:24 am Country News
কাচ্চি বিরিয়ানির কথা মনে পড়লে আপনারও কি বাংলাদেশের কথা মনে আসে? তবে শিখে নিন বাংলাদেশি স্টাইলের এই বিরিয়ানি


বাংলাদেশ ঘুরতে গিয়ে সেই দেশের বিখ্যাত কাচ্চি খেয়েছিলেন। এখানে যতই বিরিয়ানি খান না কেন, সেই স্বাদ কোথাও আর পাননি। মাঝে মধ্যেই খেতে ইচ্ছে করে। কিন্তু কাচ্চি খাওয়ার জন্য কি আবার পাসপোর্ট, ভিসা করানোর ঝক্কি পোহাতে হবে? তা কেন, সহজে কাচ্চি বিরিয়ানি রাঁধার প্রণালী রইল এখানে।

উপকরণ:

 

(কাচ্চির মশলার জন্য)

 

দারচিনি: ১০০ গ্রাম,

 

ছোট এলাচ: ৪টি

 

জায়ফল: ১টি

 

জয়িত্রি: আধ চা চামচ

 

শাহি জিরে: ১ চা চামচ

 

সাদা গোলমরিচ: ১ চা চামচ

 

শুকনো লঙ্কা: ২-৩টি

 

(বিরিয়ানির জন্য)

 

খাসির মাংস: ১ কেজি

 

বাসমতি চাল: ১ কেজি

 

পেঁয়াজ: ৪টি

 

আলু: ৬টি

 

আদা বাটা: ২ টেবিল চামচ

 

রসুন বাটা: ৩ টেবিল চামচ

 

পোস্ত বাটা: ২ টেবিল চামচ

 

শাহি জিরা: আধ চা চামচ

 

কাজুবাদাম বাটা: ১ টেবিল চামচ

 

পেস্তাবাদাম বাটা: ১ টেবিল চামচ

 

তেজপাতা: ৪টি

 

লবঙ্গ: এক মুঠো

 

খাওয়ার রং: সামান্য

 

টক দই: আধ কাপ

 

ছোট এলাচ: ৪টি

 

দারচিনি: ২ টুকরো

 

লঙ্কা গুঁড়ো: ১ চা চামচ

 

গুঁড়ো দুধ: ২ টেবিল চামচ

 

খোয়া ক্ষীর: ২ টেবিল চামচ,

 

আলুবোখরা: ৭-৮টি,

 

সাদা তেল: ২ কাপ

 

কেশর: আধ চা-চামচ

 

কাঁচা লঙ্কা: ৫-৬টি

 

ঘি: ৪ টেবিল চামচ

 

নুন: স্বাদ অনুযায়ী

 

কেওড়ার জল: ১ টেবিল চামচ

 

গোলাপজল: ১ টেবিল চামচ

প্রণালী:

 

১) প্রথমে চাল ভাল করে ধুয়ে, মিনিট ২০ ভিজিয়ে রাখুন। অন্য দিকে, আলু কেটে নুন এবং সামান্য রং মাখিয়ে তেলে ভেজে নিন। পেঁয়াজ ভেজে বেরেস্তা তৈরি করে রাখুন।

 

২) তার পর বিরিয়ানির মশলা তৈরি করে নিন। তার জন্য সমস্ত উপকরণ শুকনো খোলায় ভেজে মিক্সিতে গুঁড়ো করে নিন। সামান্য দুধের মধ্যে কেশর ভিজিয়ে রাখুন।

 

৩) মাংস ভাল করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে রাখুন। তার পর মাসের মধ্যে বিরিয়ানির মশলা, টক দই, আদা-রসুন বাটা, পোস্ত বাটা, কাজু-পেস্তা বাটা, বেরেস্তা এবং তেল দিয়ে মাখিয়ে রাখুন। অন্তত পক্ষে ঘণ্টা দুয়েক ম্যারিনেট করে রাখতে হবে।

৪) এ বার বড় একটি হাঁড়িতে জল ফুটতে দিন। এর মধ্যে দিয়ে দিন ছোট এলাচ, দারচিনি, শাহি জিরে, লবঙ্গ, তেজপাতা, সামান্য নুন এবং সাদা তেল দিয়ে দিন। ফুটতে শুরু করলে ভেজানো চাল দিয়ে দিতে হবে। চাল আধসেদ্ধ হলে নামিয়ে জল ঝরিয়ে রাখুন।

 

৫) মাংস রান্না করার জন্য বড় মুখের একটি পাত্র নিন। আলু, পেঁয়াজ ভাজার তেল যদি বেঁচে থাকে, তা হলে সেটিই ব্যবহার করুন। সঙ্গে একটু ঘি দিয়ে পারেন।

 

৬) এ বার তেলের মধ্যে তেজপাতা, গোটা গরম মশলা, পেঁয়াজ দিয়ে ম্যারিনেট করা মাংসটা দিয়ে দিন। উপর থেকে খোয়া ক্ষীর এবং আলুবোখরা দিয়ে দিন।

৭) মাংসের উপর আধসেদ্ধ চাল এমন ভাবে ছড়িয়ে দিন, যাতে মাংস দেখা না যায়। এ বার ঘি, কাঁচালঙ্কা, গুঁড়ো দুধ, গোলাপ জল, কেওড়া এবং গোলাপ জল ছড়িয়ে দিন। ভিজিয়ে রাখা কেশর ছড়িয়ে দিন।

 

৮) এ বার পাত্রের মুখ বন্ধ করে আটা দিয়ে ভাল করে আটকে দিন। ভিতরের বাষ্প যাতে কোনও ভাবেই বাইরে না আসতে পারে। একেবারে অল্প আঁচে ঘণ্টাখানেক রেখে দিন। তার পর নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন কাচ্চি বিরিয়ানি।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।