এবার গুগল ফোন অ্যাপেই পাবেন হোয়াটসঅ্যাপের কল হিস্ট্রি

13th March 2024 4:17 pm Country News
এবার গুগল ফোন অ্যাপেই পাবেন হোয়াটসঅ্যাপের কল হিস্ট্রি


যুগের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রতিনিয়তই আপডেট হচ্ছে মেটার মালিকানাধীন অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ। আর এরই ধারাবাহিকতায় এবার আপনার হোয়াটসঅ্যাপের কল হিস্ট্রি দেখতে পাবেন গুগল ফোন অ্যাপে।দারুণ সুবিধা যোগ হতে চলেছে গুগল ফোন অ্যাপে। সাধারণত যা ফোন কল হয় তার হিস্ট্রি দেখা যায় গুগল ফোন অ্যাপে।এবার সেখানে যোগ হতে চলেছে হোয়াটসঅ্যাপ কলের হিস্ট্রিও। যা একটি দারুণ সুবিধা হবে এমন মনে করছেন অনেকে। কলিংয়ের ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপ কল প্রচুর মানুষ ব্যবহার করেন। সেই তথ্য আর ফোন সেলুলার নেটওয়ার্ক বা সিম কার্ডের মাধ্যমে যা কল হয়েছে তার তথ্য এক জায়গাতেই দেখা যাবে।এরই মধ্যে বিটা ভার্সনে এই ফিচার আনা হয়েছে। অ্যান্ড্রয়েড বিটা প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারীরা তার সুবিধা তুলতে পারবেন। গুগল ফোন অ্যাপে হোয়াটসঅ্যাপ কলের হিস্ট্রি বুঝতে পারবেন লেবেল পড়ে। যে কলগুলো হোয়াটসঅ্যাপ দ্বারা হয়েছে তার নাম উল্লেখ থাকবে। আর যেগুলো সিম কার্ডের মাধ্যমে করা হয়েছে সেগুলো এখন যেমনটা দেখনো হয় তেমনই দেখা যাবে। কল লগে নির্দিষ্ট কলে ট্যাপ করে তার হিস্ট্রি যাচাই করতে পারবেন।গুগল ফোন অ্যাপের ভি১২৪.০.৬০৮১৬৪৪২১ পাবলিক বিটা ভার্সন এবং হোয়াটসঅ্যাপ ২.২৪.৬.৬ ভার্সনে এটি দেখা গিয়েছে। অ্যান্ড্রয়েড ছাড়া আইওএস বা আইফোনেও পাওয়া যাবে এই সুবিধা।

 

হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা এই ফিচারের ফলে উপকৃত হবেন বলেই আশা করা যায়। হোয়াটসঅ্যাপ কলের হিস্ট্রি যোগ হলেও সিগন্যাল এবং টেলিগ্রাম অ্যাপের কল হিস্ট্রি আদৌ যোগ হবে কিনা তা জানায়নি গুগল।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।