নীতা অম্বানীর রূপটানশিল্পী কে? মুকেশ-পত্নীকে সাজাতে কত টাকা নেন তিনি?

15th March 2024 9:53 pm Country News
নীতা অম্বানীর রূপটানশিল্পী কে? মুকেশ-পত্নীকে সাজাতে কত টাকা নেন তিনি?


দেশের অন্যতম ধনকুবেরের ঘরনি তিনি। মুকেশ অম্বানীর স্ত্রী নীতা অম্বানীর অবশ্য আলাদা করে কোনও পরিচয় লাগে না। নীতা সাজগোজ বরাবরই নজর কাড়ে সকলের। কখনও নীতার পরনের শাড়ি নিয়ে চর্চা হয়, কখনও আবার নীতার কোটি কোটি টাকার গয়না নিয়ে নেটমাধ্যমে তোলপা়ড় হয়। তাঁর ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে জানতেও উৎসুক অনেকেই। ইতিমধ্যেই দিদা-ঠাকুরমা হয়েছেন নীতা। তবু তাঁর সাজগোজ দেখে তা বোঝার উপায় নেই। শাড়ি কিংবা লেহঙ্গা, চুড়িদার হোক কিংবা ইন্দো-ওয়েস্টার্ন গাউন— সবেতেই মোহময়ী রূপে ধরা দেন মুকেশ-পত্নী। নীতার নজরকাড়া সাজ দেখে দুর্বল হয় বহু পুরুষহৃদয়। জানেন, নীতার এই সাজের নেপথ্যে কে?

নীতা অম্বানীর রূপটানশিল্পী হলেন মিকি কন্ট্র্যাকটর। রিল্যায়েন্সের কোনও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হোক কিংবা ছোট ছেলের প্রাক্-বিবাহ উদ্‌যাপন, নীতাকে সাজানোর দায়িত্বে থাকেন মিকি। কেবল নীতাই নয়, নীতার বৌমা শ্লোকা অম্বানী ও মেয়ে ঈশা অম্বানীরও মেকআপ করেন মিকি। বলিপাড়াতেও বেশ পরিচিত মুখ তিনি।

হম আপকে হ্যায় কওন’, ‘দিল তো পাগল হ্যায়’, ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’, ‘কভি খুশি কভি গম’, ‘কল হো না হো’, ‘মাই নেম ইজ় খান’, ‘কার্তিক কলিং কার্তিক,’ ‘ভিরে দি ওয়েডিং’-এর মতো ছবিতে রূপটানশিল্পী হিসাবে কাজ করেছেন মিকি। করিনা কপূর খান, দীপিকা পাড়ুকোন, ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন এবং অনুষ্কা শর্মার সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি। কেশসজ্জাশিল্পী হিসাবে কর্মজীবনের সূচনা করলেও এখন বলিপাড়ার প্রথম সারির রূপটানশিল্পীদের মধ্যে মিকি বেশ জনপ্রিয়।

এক জনের মেকআপ করে মিকি ৭৫ হাজার টাকা থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করেন। মিকির মাসিক আয় বড় কোনও বহুজাতিক সংস্থার সিইওদের থেকেও অনেক বেশি।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।