৫৬-তেও ছিপছিপে চেহারা ধরে রাখতে শরীরচর্চা করেন না মাধুরী, ভরসা রাখেন বিশেষ এক খাবারে

19th March 2024 7:29 pm Country News
৫৬-তেও ছিপছিপে চেহারা ধরে রাখতে শরীরচর্চা করেন না মাধুরী, ভরসা রাখেন বিশেষ এক খাবারে


বছর তিনেকের মধ্যেই ৬০ ছুঁয়ে ফেলবেন মাধুরী দীক্ষিত। তাঁকে দেখে অবশ্য তা বোঝার উপায় নেই একেবারেই। আশির দশকে পর্দায় যে ভাবে ঝড় তুলতেন কমবয়সি মাধুরী, ৫৬-তে এসেও তিনি একই রকম রয়েছেন। পেলব মসৃণ ত্বকে বয়সের এতটুকু ছাপও পড়েনি। শুধু সৌন্দর্য নয়, মাধুরীর ফিটনেসও অনেকের অনুপ্রেরণা। ৫০ পেরিয়ে এমন ছিপছিপে চেহারা ধরে রাখা অসম্ভব। মাধুরী কিন্তু সেই অসাধ্যসাধন করেছেন। মাধুরী যে ফিটনেস সচেতন, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে মাঝেমাঝেই ফিটনেস রুটিন ভাগ করে নেন তিনি। ফিটনেস ধরে রাখতে খাওয়াদাওয়ায় বিশেষ নজর দেন অভিনেত্রী।

 

বেরির স্মুদি, ড্রাই ফ্রুটস, প্রোটিন বারের মতো খাবারই থাকে অভিনেত্রীর ডায়েটে। কিন্তু ওজন ধরে রাখতে বিশেষ একটি খাবারে ভরসা রাখেন মাধুরী। কড়া ডায়েট তিনি কখনও করেন না। মাধুরী বিশ্বাস করেন, পরিমাণ মতো খাবার খেয়েই রোগা থাকা সম্ভব। তাই ঘরোয়া খাবারেই অগাধ ভরসা তাঁর। তবে ওজন বেড়ে যাওয়া নিয়ে চিন্তিত থাকেন তিনি। সব সময় চেষ্টা করেন, কী ভাবে হাতের মুঠোয় রাখা যায় ওজন। তার জন্য নিয়মিত শরীরচর্চা তো করেন, তেল ছাড়া খাবার খান। আর খান বাদাম-কর্ন চাট। মাধুরীর ছিপছিপে, তন্বী চেহারা রহস্য নাকি লুকিয়ে আছে এই খাবারেই। মাধুরীর পছন্দের খাবার চাইলে আপনি বাড়িতেও বানিয়ে নিতে পারেন। কী ভাবে?

 

এই চাট বানাতে উপকরণ হিসাবে লাগবে—

সেদ্ধ কর্ন, সেদ্ধ বাদাম, সেদ্ধ মটরশুঁটি, টোম্যাটো কুচি, পেঁয়াজকুচি, চাট মশলা, লঙ্কার গুঁড়ো, লেবুর রস, নুন, গোলমরিচ এবং ধনেপাতা।

 

প্রণালী:

 

সেদ্ধ করা বাদাম, কর্ন আর মটরশুঁটি একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এর মধ্যে টোম্যাটো কুচি, পেঁয়াজ কুচি, চাট মশলা, নুন, সামান্য লঙ্কার গুঁড়ো, লেবুর রস দিয়ে মিশিয়ে চামচ দিয়ে ঘেঁটে নিলেই তৈরি সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্যকর এই চাট। বিকেলের জলখাবার হিসাবে কিন্তু মন্দ হবে না।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।