দেরি আর নয় খুব শীঘ্রই বিয়ের পিঁড়িতে আদিত্য-অনন্যা?

30th March 2024 7:26 pm Country News
দেরি আর নয় খুব শীঘ্রই বিয়ের পিঁড়িতে আদিত্য-অনন্যা?


বেশ কিছু দিন ধরেই সম্পর্ক রয়েছেন অনন্যা পান্ডে ও আদিত্য রায় কাপুর। যদিও সম্পর্কের অফিসিয়াল শিলমোহর ওঁরা দেননি। তবে তাঁদের প্রেমের খবর সম্পর্কে ওয়াকিবহান দুই পরিবারই। সম্প্রতি বলিপাড়ায় গুঞ্জন খুব শীঘ্রই নাকি বিয়ে করতে চলেছেন আদিত্য ও অনন্যা। বলিউড লাইফের এক প্রতিবেদন জানাচ্ছে, 'কাজের ক্ষেত্রে এই মুহূর্তে আদিত্য ও অনন্যা দু'জনেই বেশ ভাল জায়গাতেই রয়েছেন।হাতেও রয়েছে অনেক কাজ। বিয়ে না করলেও খুব শীঘ্রই বাগদান সারতে পারেন অনন্যা ও আদিত্য। তবে তা এখনই কাউকে তাঁরা জানাতে হয়তো রাজি হবেন না।”অনন্যার বয়স এখন ২৫ বছর। অন্যদিকে আদিত্য রায় কাপুরের বয়স ৩৮ বছর। দু’জনের মধ্যে বয়সের ফারাক ১৩ বছরের। এর আগে শ্রদ্ধা কাপুরের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন আদিত্য। যদিও সেই প্রেম ভেঙে যায়। অন্যদিকে অনন্যার প্রাক্তন ছিলেন ঈশান খট্টর। সেই প্রেমও ভেঙে গিয়েছে। আপাতত দু’জনে মজে দু’জনের প্রেমে। চারহাত কবে এক হবে এখন সেটাই দেখার।প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে এক সাক্ষাত্‍কারে অনন্যা পাণ্ডেকে বলতে শোনা যায়, তাঁর যা বয়স, তিনি এখন কেবলই কেরিয়ারে ফোকাস করতে চান। বিয়ে নিয়ে ভাবার মতো বয়সে তিনি পৌঁছেননি। অন্যদিকে আদিত্য রায় কাপুর এই সম্পর্ক প্রসঙ্গে মুখে এঁটেছেন কুলুপ। প্রেম নয়, কাজ নিয়ে হোক আলোচনা, এমনটাই ইচ্ছে দু’জনের।


 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।