পাওয়ার বাটন কাজ না করলে কীভাবে মোবাইল বন্ধ করবেন?

27th April 2024 7:15 pm Country News
পাওয়ার বাটন কাজ না করলে কীভাবে মোবাইল বন্ধ করবেন?


মোবাইলের পাওয়ার বাটন প্রায় সময় কাজ না করতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল ব্যবহার করতে কর‍তে পাওয়ার বাটনের সক্ষমতা কমে যায়। পাওয়ার বাটন হটাৎ করে কাজ না করলে কী করবেন সেটা আজ আলোচনা করা হবে।সবথেকে সহজ হবে কুইক সেটিং প্যানেল খুজে বের করা যেখানে ওয়াইফাই, ব্লুটুথ ইত্যাদি অপশন রয়েছে।সেখানে নিচের অংশে রিস্টার্ট বাটন পাবেন। ট্যাপ করুন। আশা করি সমাধান হয়ে যাবে।পরের কৌশলটি হচ্ছে স্মার্টফোনের সাথে বিদ্যুৎ কানেকশন দেওয়া। পাওয়ার পেলে একটু পর মোবাইল নিজে থেকেই চালু হয়ে যায়। তবে এ পদ্ধতি সবসময় সব ডিভাইসে কাজ করবে না। যদি এরকম হয় হ্যান্ডসেটটি অন আছেই তবে ডিসপ্লে আসছে না তখন এ পদ্ধতি বেশ কার্যকর। আনড্রয়েড ডিবাগ পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন। এ কৌশল প্রায় সময় কাজ করে তবে ডিসপ্লেতে কোড ইনপুট করার সময় ভুল করা যাবে না।সমস্যাটি আপনার আইফোনে হলে প্রথমে সেটিং এ গিয়ে Accessibility অপশনের অধীন Assistive Touch বাটনটি খুজে বের করুন। এ ফিচারটি চালু করুন। এখন তার শর্টকাট বাটন থেকে স্মার্টফোন রিস্টার্ট করার অপশন খুজে পাবেন।রিস্টার্ট দিন। সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। তবে তার জন্য আইফোনটি আগে থেকেই চালু থাকতে হবে। তা না হলে কাজ করবে না। ফোনটি বন্ধ থাকলে বিদ্যুৎ এর সাথে সংযোগ করুন। একটু পরে নিজে থেকেই চালু হয়ে যাবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।