ATM থেকে ছেঁড়া-ফাটা নোট বেরিয়েছে কী করবেন এই টাকা নিয়ে জেনে রাখুন

8th May 2024 7:00 pm Country News
ATM থেকে ছেঁড়া-ফাটা নোট বেরিয়েছে কী করবেন এই টাকা নিয়ে জেনে রাখুন


নগদের থেকে এখন অনলাইনেই আর্থিক লেনদেন করতে বেশি স্বচ্ছন্দ্য সবাই। পাড়ার মুদি দোকান থেকে শপিং মল, সর্বত্রই অনলাইনে টাকা লেনদেন হয়। তবে এমনও বেশ কিছু জায়গা রয়েছে, যেখানে অনলাইনে পেমেন্ট হয় না, সেখানে নগদই ভরসা। নগদ টাকা তোলার জন্য আজ আর কেউ ব্যাঙ্কে যান না। ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে এটিএম থেকে টাকা তোলা হয়।কিন্তু এটিএম থেকে যদি ছেঁড়া-ফাটা নোট বের হয়, তাহলে কী করবেন?যদি এটিএম থেকে ছেঁড়া নোট বের হয়, তবে চিন্তার কোনও কারণ নেই। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার তরফে জানানো হয়েছে, এটিএম থেকে ছেঁড়া নোট বের হলে, তা ব্যাঙ্কে গিয়ে পরিবর্তন করা সম্ভব। একবারে সর্বাধিক ২০টি নোট পরিবর্তন করা যায়। তবে মাথায় রাখতে হবে, নোটের মূল্য যেন ৫ হাজার টাকার বেশি যেন না হয়।কীভাবে নোট পরিবর্তন করবেন?এটিএম থেকে ছেঁড়া নোট বের হলে, তা পরিবর্তন করা খুব একটা ঝামেলার নয়। সহজেই কয়েক মিনিটের মধ্যে নোট পরিবর্তন করা যায়। এর জন্য যে ব্যাঙ্কের এটিএম থেকে টাকা তুলেছেন, সেই ব্যাঙ্কের শাখায় যেতে হবে। সেখানে গিয়ে একটি আবেদন করতে হবে। ওই আবেদন পত্রে টাকা তোলার তারিখ, সময় এবং যে এটিএম থেকে টাকা তুলেছেন, তা উল্লেখ করতে হবে। এটিএম থেকে টাকা তোলার স্লিপও এই আবেদন পত্রের সঙ্গে জুড়ে দিতে হবে। যদি এই স্লিপ না থাকে, তবে মোবাইলে আসা ট্রানজাকশনের মেসেজের প্রিন্ট কপি দিতে হবে।কোথা থেকে নোট পরিবর্তন করা যায়?ছেড়া বা বিকৃত নোট পেলে, তা আরবিআইয়ের ইস্যু অফিস, যেকোনও সরকারি ব্যাঙ্ক বা বেসরকারি ব্যাঙ্কের শাখাগুলিতে এই নোট পরিবর্তন করা যায়।কোন ক্ষেত্রে নোট পরিবর্তন হবে না?যদি সম্পূর্ণ পোড়া বা সম্পূর্ণ ছেঁড়া নোট বের হয়, তবে সেক্ষেত্রে নোট পরিবর্তন করা হবে না।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।