ফোনেই দেখা যাবে কতটা বেড়েছে সুগার এই ছোট্ট নিয়ম মেনে বাড়িতে ডায়াবেটিস টেস্ট করুন

13th May 2024 8:38 pm Country News
ফোনেই দেখা যাবে কতটা বেড়েছে সুগার এই ছোট্ট নিয়ম মেনে বাড়িতে ডায়াবেটিস টেস্ট করুন


এখন প্রতিটা বাড়িতে একজন সুগারের রোগী পেয়ে যাবেন। অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জেরেই মানুষের জীবনে থাবা বসিয়েছে ডায়াবেটিস। প্রথম থেকে সচেতন থাকলে সহজেই এড়ানো যায় সুগারকে। কিন্তু একবার ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে মেপে মেপে পা ফেলতে হয়। স্বাস্থ্যকর খাওয়া-দাওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত রক্তে শর্করার মাত্রাও মাপা দরকার।কিন্তু বাড়াবাড়ি না হওয়া পর্যন্ত কেউই ব্লাড টেস্ট করান না। হঠাৎ করে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে কিংবা কমে গেলে তখন মনে হয় একবার সুগার চেক করিয়ে নেওয়া দরকার। তখন ক্লিনিকে না ছুটে বাড়িতে বসেই সুগার লেভেল চেক করিয়ে নিতে পারেন। প্রত্যেক সুগার রোগীর জেনে রাখা দরকার বাড়িতে কখন ও কীভাবে সুগার লেভেল মাপতে হয়।

বাড়িতে কীভাবে সুগার মাপবেন?

ফিঙ্গার টিপ মিটার যন্ত্র সম্পর্কে অনেকেরই ধারণা রয়েছে। এই যন্ত্রের সাহায্যে সহজেই জানা যায় আপনার সুগার লেভেল। একটি ভাল মানের যন্ত্র কিনে নিন। এই যন্ত্রে থাকা সূচের মতো অংশ আঙুলের ডগায় ফুটিয়ে রক্ত বের করে নিন। এবার এই রক্ত ছোট স্ট্রিপে রাখুন। এবার এই স্ট্রিপটি যন্ত্রের মধ্যে রাখুন। মাত্র ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ডের মধ্যে যন্ত্রের ডিসপ্লেতে দেখতে পাবেন আপনার সুগার লেভেল। চাইলে নিজের মোবাইলের সঙ্গেও এই যন্ত্রটি সিঙ্ক করে রাখতে পারেন। এতে ফোনেই দেখতে পেয়ে যাবেন রক্তে শর্করার মাত্রা কত। টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে এই যন্ত্রটি ব্যবহার করতে পারেন।যাঁরা টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত তাঁরা ইন্টারস্টিশিয়াল গ্লুকোজ মেজারিং ডিভাইস ব্যবহার করতে পারেন। একটি নলের মাধ্যমে এই যন্ত্রটি শরীরের সঙ্গে যুক্ত থাকে। এছাড়া এই যন্ত্রতে একটি ইনসুলিন পাম্প থাকে। এটি আপনাকে সারাক্ষণ শরীরের সঙ্গে যুক্ত রাখতে হবে। এটি সারাক্ষণ আপনার সুগার মেপে যাবে। কখন সুগার লেভেল বাড়ছে, কখন কমে যাচ্ছে, সবই জানতে পারবেন।

সুগার চেক করার আগে যে নিয়ম মানবেন-

ক্লিনিকে গিয়ে সুগার টেস্ট করালে দু’বার রক্ত দিতে হয়। একবার ফাস্টিং সুগার এবং অন্যটি পিপি সুগার। এই নিয়মটা আপনাকে বাড়িতে রক্ত শর্করা পরীক্ষা করার সময়ও মানতে হবে। সকালবেলা সুগার চেক করুন। তার আগে ৮ ঘণ্টা বা তার বেশি খাবার না খেয়ে থাকুন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।