মাধ্যমিক পাসে জেলা দায়রা আদালতে চাকরির সুযোগ বেতন শুরু ১৭ হাজার থেকে

13th May 2024 8:43 pm Country News
মাধ্যমিক পাসে জেলা দায়রা আদালতে চাকরির সুযোগ বেতন শুরু ১৭ হাজার থেকে


ভালো খবর চাকরি প্রার্থীদের জন্য। কালিম্পং জেলা এবং দায়রা আদালতের কার্যালয়ে চাকরির সুযোগ সামনে এল। আগ্রহী চাকরি প্রার্থীরা আবেদন করতে পারেন।শূন্যপদইংলিশ স্টেনোগ্রাফার, লোয়ার ডিভিশন ক্লার্ক, প্রসেস সার্ভার পদে নিয়োগ হবে। মোট শূন্যপদ ৩৭টি।বেতননূন্যতম বেতন ধার্য করা হয়েছে ১৭ হাজার টাকা। সর্বোচ্চ বেতন ৮২ হাজার ৯০০ টাকা।

শিক্ষাগত যোগ্যতা

প্রার্থীকে যে কোনও স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে নূন্যতম মাধ্যমিক পাস করতে হবে।

বয়সসীমা

১৮ বছর থেকে ৪০ বছর বয়সি প্রার্থীরা এই পদের জন্য আবেদন করতে হবে। সংরক্ষিত প্রার্থীরা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বয়সের ছাড় পাবেন।

আবেদন পদ্ধতি

আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। এই পদে অনলাইনে kalimpong.dcourts.gov.in ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদনের শেষ তারিখ ১৭মে ২০২৪।

কালিম্পং জেলা এবং দায়রা আদালতে নিয়োগ দেওয়া হবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।