ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে তেঁতুলের অসাধারন ব্যবহার জেনেনিন আপনিও

5th July 2024 7:13 pm Country News
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে তেঁতুলের অসাধারন ব্যবহার জেনেনিন আপনিও


গবেষণায় দেখা গেছে তেঁতুলে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি, ই এবং বি রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ এবং ডায়াটারি ফাইবার যা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভীষণই উপকারী। তেঁতুল শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভান্ডার, যা শরীরে পক্ষে অত্যন্ত উপকারী। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক তেঁতুলের নানাবিধ স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে-১) তেঁতুল একটি ফ্যাট ফ্রি খাবার। এতে উচ্চ মাত্রায় ফাইবারও আছে। গবেষণায় প্রমাণিত রোজ তেঁতুল খেলে ওজন কমে। তেঁতুলে থাকা হাইড্রক্সাইটিসট্রিক এসিড খিদে কমিয়ে দেয়। ফলে কমে ওজন।

২) তেঁতুলের বীজ ডায়বেটিক রোগীদের পক্ষে উপকারী। তেঁতুল বীজে এমন একধরনের এনজাইমের দেখা মেলে যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে।

৩) পেট ব্যথা বা কোষ্ঠকাঠিন্যর মতো সমস্যা থেকে সমাধানে তেঁতুল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। তেঁতুলের মধ্যে টারটারিক অ্যাসিড, ম্যালিক অ্যাসিড এবং পটাশিয়ামের উৎস যা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

৪) তেঁতুল একাধিক ভিটামিন ও মিনারেলের ভান্ডার। ব্লাড প্রেসার, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতেই কাজে লাগানো যেতে পারে তেঁতুলকে।

৫) তেঁতুলে উচ্চ পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে যা ত্বকের পক্ষে ভীষণই উপকারী । কিডনি ফেলিওর এবং ক্যান্সার রোধেও তেঁতুলের ভূমিকা আছে। তেঁতুল গাছের পাতা এবং ছালের অ্যান্টি সেপটিক এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়ালের গুণের জন্য ক্ষত সারাতে কাজে লাগানো হয়।

৬) ব্রণের সমস্যা দূর করতেও উপকারী তেঁতুল। মরা কোষ তুলতে ও ত্বককে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে তেঁতুল। এছাড়া তেঁতুল আল্ট্রাভায়োলেট রে থেকে ত্বককে রক্ষা করে।

৭) রক্তাল্পতাতেও উপকারী তেঁতুল। এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় আয়রন, যা অ্যানিমিয়া নিরাময়ে কাজ দেয়। এছাড়া প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় তেঁতুল খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।