দুধ,চিনি খারাপ! কালো চা কিংবা কফিতে চুমুক দিতে পছন্দ করেন, শরীরের জন্য কোনটি ভাল?

30th September 2024 9:13 pm Country News
দুধ,চিনি খারাপ! কালো চা কিংবা কফিতে চুমুক দিতে পছন্দ করেন, শরীরের জন্য কোনটি ভাল?


গ্যাস, অম্বল, অ্যাসিডিটি রুখতে দিন শুরু করেন ঈষদুষ্ণ জল খেয়ে। কিন্তু তার পর এক কাপ চা কিংবা কফি তো চাই। না হলে যে দিনটাই শুরু হবে না। দুধ, চিনি দিয়ে কড়া করে চা খেতে ভাল লাগলেও তা শরীরের জন্য খারাপ। কিন্তু, চা না কফি? এ নিয়ে অবশ্য নানা মুনির নানা মত। কেউ বলেন, কাজে গতি আনতে এক কাপ কালো কফি ভাল। আবার, কারও মতে, কালো চা-ই স্বাস্থ্যকর।

‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ এপিডেমিয়োলজি’-তে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়ামের মতো খনিজ রয়েছে কালো কফিতে। যা টাইপ-২ ডায়াবিটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমায়। কিন্তু পুষ্টিবিদ এবং যাপন সহায়ক অনন্যা ভৌমিকের মতে, “কালো কফির চাইতে কালো চা ভাল।” তার পিছনে অবশ্য শুধু রুচি বা পছন্দ নয়, অন্য কয়েকটি যুক্তি রয়েছে। অনন্যার মতে, “কালো কফি কিংবা কালো চা, দু’টি পানীয়েই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রয়েছে। কিন্তু কফিতে ক্যাফিনের পরিমাণ বেশি। তাই কালো কফি বেশি খাওয়া ভাল নয়।”

‘ফ্রন্টিয়ার্‌স ইন জেনেটিক্‌স’-এ প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, নিয়মিত কালো চা খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। যে হেতু এই পানীয়ে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের পরিমাণ বেশি, তাই এটি অন্ত্র ভাল রাখতেও সাহায্য করে। তবে অনন্যা বলছেন, “শুধু অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট নয়, কালো চায়ে সহজপাচ্য ফাইবারও রয়েছে। তাই চাইলে দিনে ২৫০ বা ৩০০ মিলিলিটারের বেশিও কালো চা খাওয়া যায়।”





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।