ভারতের জিডিপি প্রবৃদ্ধি এশিয়ার বৃহৎ অর্থনীতির মধ্যে শীর্ষস্থানে

29th August 2025 7:27 pm Country News
ভারতের জিডিপি প্রবৃদ্ধি এশিয়ার বৃহৎ অর্থনীতির মধ্যে শীর্ষস্থানে


নতুন দিল্লি, ২৯ আগস্ট:
ভারতের অর্থনীতি প্রথম ত্রৈমাসিকে (এপ্রিল-জুন ২০২৫) ৭.৮% হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা গত পাঁচটি ত্রৈমাসিকের মধ্যে সর্বোচ্চ। কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান মন্ত্রক প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বিনিয়োগ, শিল্পোৎপাদন ও ভোক্তা ব্যয়ের বৃদ্ধি এই অগ্রগতির প্রধান কারণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকার পরিচালিত অবকাঠামো প্রকল্পে বিনিয়োগের জোর এবং পরিষেবা খাতে ধারাবাহিক উন্নতি দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও মজবুত করেছে। তবে গ্রামীণ চাহিদা ও বৈশ্বিক বাজারের অনিশ্চয়তা ভবিষ্যতের জন্য কিছুটা উদ্বেগ রয়ে যাচ্ছে।

গত বছরের একই সময়ে জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৬.৬%। অর্থাৎ, চলতি বছরে প্রবৃদ্ধির হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, যদি এ প্রবণতা অব্যাহত থাকে তবে চলতি আর্থিক বছরে ভারতের প্রবৃদ্ধি ৭%–এর ওপরে বজায় থাকতে পারে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।