ফের মহাকাশে পাড়ি দিতে চলেছে ভারত

12th October 2023 8:16 pm Country News
ফের মহাকাশে পাড়ি দিতে চলেছে ভারত


দূর্গাপুজোর মধ্যেই বড় খবর থাকবে ভারতবাসীর জন্য। বিশ্বজুড়ে ইসরোর জয়জয়কারের মধ্য়েই ফের আর এক মাইলফলক ছোঁয়ার অপেক্ষা। ফের মহাকাশে পাড়ি দিতে চলেছে ভারত।চন্দ্রযান-৩-এর সাফল্যের পর ইসরোর লক্ষ্য এখন মিশন গগনযান। কবে সেই মহাকাশযান পাড়ি দেবে? তার দিন ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় জিতেন্দ্র সিং।মিশন গগনযানের ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই প্রকল্পে একক ভাবে ভারত মহাকাশযাত্রা করবে। শুরু হচ্ছে তারই পরীক্ষামূলক প্রস্তুতি। নয়াদিল্লিতে মহড়ার কথা প্রকাশ্যে আনেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। জানা গিয়েছে দু’বার মহড়ার পর চূড়ান্ত মিশনে ভারতীয় নভোশ্চরদের নিয়ে রওনা দেবে গগনযান।মাটি থেকে বহু কিলোমিটার উঁচুতে যত বড়ই যান্ত্রিক সমস্যা হোক না কেন মহাকাশচারীদের গায়ে যাতে আঁচড়টি না লাগে সেটাই ইসরোর কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। মহাকাশচারীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা। মহড়ার প্রথম পর্বের দিন ঘোষণা করেছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা তথা ইসরো।সপ্তমীর সকালে অর্থাত্‍ ২১ অক্টোবর বাংলা পুজোর আনন্দে মাতোয়ারা থাকবে। আর তখনই বাংলায় থেকে ১৬০০ কিলোমিটার দূরে ইসরোর গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা কয়েক ঘণ্টা কাটাবেন টানটান উত্তেজনায়। ২০২৪-এর শেষের দিকে তিন জন ভারতীয় মহাকাশচারীদের মহাকাশে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে ইসরোর। মিশন গগনযানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক মহড়ার জন্যই ২১ অক্টোবর সপ্তমীর সকালকে বেছে নেওয়া হয়েছে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।