আটলান্টিকে মিলল টাইটানের ধ্বংসাবশেষ

12th October 2023 8:21 pm Country News
আটলান্টিকে মিলল টাইটানের ধ্বংসাবশেষ


সমুদ্রের তলদেশ থেকে ডুবোযান (সাবমার্সিবল) টাইটানের অবশিষ্ট ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করেছেন প্রকৌশলীরা। ধ্বংসাবশেষ থেকে টাইটানের আরোহীদের 'অনুমিত দেহাবশেষও' উদ্ধার করেছেন তারা।মার্কিন কোস্টগার্ডের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি। গত সপ্তাহে অবশিষ্ট ওই ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করা হয়।আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে থাকা বিখ্যাত টাইটানিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষ দেখার জন্য রওনা দিয়ে গত ১৮ জুন বিপর্যয়কর অন্তর্মুখী চাপে টাইটান ভেঙে টুকরা টুকরা হয়ে যায়।সমুদ্র-পর্যটনে ডুবোযানটি পাঠিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ওশানগেট। এ অভিযাত্রায় টাইটানে পাঁচজন আরোহী ছিলেন, তারা সবাই নিহত হন।নিহতরা হলেন- ওশানগেটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টকটন রাশ, ব্রিটিশ ধনকুবের হামিশ হার্ডিং, ব্রিটিশ-পাকিস্তানি ধনকুবের শাহজাদা দাউদ ও তার ছেলে সুলেমান দাউদ এবং ফ্রান্সের নৌবাহিনীর সাবেক সদস্য পল অরি নাজোলে।সাগরপৃষ্ঠ থেকে তলদেশের উদ্দেশে যাত্রা শুরুর পৌনে দুই ঘণ্টার মাথায় নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে ডুবোযানটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। পরে এর সন্ধানে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়। এ ঘটনা সারা বিশ্বের মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করে।পাঁচ দিনের মাথায় টাইটানিকের কাছে ডুবোযানটির ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পাওয়ার কথা জানান উদ্ধারকারীরা। তখন টাইটানের কিছু ধ্বংসাবশেষ উদ্ধারও করা হয়।এবার টাইটানের অবশিষ্ট ধ্বংসাবশেষও উদ্ধারের কথা জানানো হলো। দুর্ঘটনার পরবর্তী তদন্তকাজ এগিয়ে নিতে এই ধ্বংসাবশেষ বেশ সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।