বিশ্বকাপে একটাও ম্যাচ না খেলেও ICC-র কাছ থেকে সেরার পুরস্কার পেলেন শুভমান গিল

13th October 2023 11:34 pm Country News
 বিশ্বকাপে একটাও ম্যাচ না খেলেও ICC-র কাছ থেকে সেরার পুরস্কার পেলেন শুভমান গিল


বিশ্বকাপের (2023 ODI World Cup) প্রথম দুই ম্যাচে ডেঙ্গু সংক্রমণের কারণে মাঠে নামতে পারেন যে শুভমান গিল। সেপ্টেম্বর মাসে অর্থাত্‍ বিশ্বকাপের আগে অসাধারণ ফর্মে ছিলেন এবং সেই জন্য বিশেষ পুরস্কার পেয়েছেন তিনি আইসিসির (ICC) কাছ থেকে। তার সামনে সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে অফফর্মে থাকা পাকিস্তান ক্রিকেট দলের (Pakistan Cticket Team) বাবর আজমকে (Babar Azam) টপকে আইসিসি ওডিআই ব্যাটারদের ক্রমতালিকায়।বিশ্বকাপের আগেই সেই কাজটা হয়ে যেতে পারত যদি শুভমান গিল অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে আয়োজিত তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজের শেষ ম্যাচটিতেও মাঠে নামতেন। কিন্তু বিসিসিআই তাকে ঐ ম্যাচে বিশ্রাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং ভারতে যখন বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে গুয়াহাটি পৌঁছয় তখন সেখানেই ডেঙ্গুর কবলে পড়েন তারকা ভারতীয় ওপেনার এবং আর তার বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচে মাঠে নামা হয়নি।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।