আরও এক ইতিহাসের হাতছানি! সপ্তমীর সকালে বড় পরীক্ষা ISRO-এর

18th October 2023 6:16 pm Country News
 আরও এক ইতিহাসের হাতছানি! সপ্তমীর সকালে বড় পরীক্ষা ISRO-এর


আরও এক ইতিহাসের মুখোমুখি ভারতের মহাকাশ সংস্থা ISRO। মহাকাশে মানুষ পাঠানোর তোরজোর একেবারে শেষ মুহূর্তে। আগামী ২১ অক্টোবর Gaganyaan মহাকাশযানের প্রথম পরীক্ষামূলক উত্‍ক্ষেপণ। আর তা সকাল ৭টা থেকে ৯টার মধ্যে হবে বলে জানা গিয়েছে।ইতিমধ্যে ক্রু মডেল Gaganyaan মহাকাশযানের উপর বসানো হয়েছে।খুব শীঘ্রই যানকে লঞ্চ প্যাডে (Gaganyaan Mission) নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। এই মিশনের নাম দেওয়া হয়েছে টেস্ট ভেহিকেল ডেমোনস্ট্রেশন-1 (TVD1)।কিন্তু কেন এই পরীক্ষা (Gaganyaan Mission) করা হচ্ছে! জানা গিয়েছে, উত্‍ক্ষেপণের সময় ক্রু এস্কেপ সিস্টেম (CES) এর ইন-ফ্লাইট অ্যাবর্ট ডিমোন্সট্রেশন করা। জানা গিয়েছে, শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারে এই পরীক্ষা চালানো হবে। কার্যত গত কয়েকদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারতের Gaganyaan মিশন (Gaganyaan Mission) নিয়ে উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠক হয়। আর সেই বৈঠকের পরেই এই পরীক্ষার বিষয়ে ইসরোর তরফে জানানো হয়।জানা যাচ্ছে, ক্রু মডিউলটিকে বঙ্গোপসাগরে অবতরণ (Gaganyaan Mission) করানো হবে। আর তা নৌবাহিনীকে দিয়ে উদ্ধারও করা হবে। আর এই পরীক্ষামূলক উত্‍ক্ষেপণ যদি সফল হয় তাহলে Gaganyaan মিশনের নয়া একটি দিক খুলে যাবে।উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে Gaganyaan নিয়ে কাজ করছে ইসরো। আগামী বছর অর্থাত্‍ ২০২৪ সালে চূড়ান্ত গগনযান মিশন শুরু হবে। এমনটাই খবর। মাটি থেকে ৪০০ কিলোমিটার উঁচুতে মহাকাশচারীদের পাঠানো হবে। সেখানে থেকে বিভিন্ন ধরনের গবেষনা চালানো হবে। এক্ষেত্রে মহাকাশচারীদের নিরাপত্তায় (Gaganyaan Mission) বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে ইসরোর তরফে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।