পেনশনের টাকা তোলার নিয়মে বিরাট বদল, জেনে নিন নতুন প্রক্রিয়া

30th October 2023 8:49 pm Country News
পেনশনের টাকা তোলার নিয়মে বিরাট বদল, জেনে নিন নতুন প্রক্রিয়া


এবার  থেকে লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার জন্য প্রয়োজন নেই ব্যাঙ্কে যাওয়ার। পশ্চিমবঙ্গের পেনশনভোগীরা আগামী ১লা নভেম্বর থেকে বাড়িতে বসেই জমা দিতে পারবেন লাইফ সার্টিফিকেট। একটি বিজ্ঞপ্তিতে পশ্চিমবঙ্গের অর্থ দপ্তর বলেছে, পেনশনভোগীরা 'ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট' জমা দিতে পারবেন বাড়ি থেকেই।'ফেস অথেন্টিকেশন'-র মাধ্যমে 'ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট' জমা দেওয়ার সম্ভব হবে স্মার্টফোনের মাধ্যমে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার দীর্ঘদিন ধরেই পরিকল্পনা করছিল ব্যাঙ্কে গিয়ে লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার বদলে ঘরে বসে ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার পদ্ধতি চালু করার। অবশেষে সরকারের সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হতে চলেছ।পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট প্রদান পরিষেবা এবার শুরু হতে চলেছেন নভেম্বর মাস থেকেই। পেনশন ভোগী ও ফ্যামিলি পেনশন ভোগীদের বছরে একবার ব্যাঙ্কে গিয়ে সশরীরে হাজির হয়ে জমা দিতে হয় লাইফ সার্টিফিকেট। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ তাদের কাছ থেকে যাচাই করে হার্ড কপি। জানা গেছে, নতুন পদ্ধতি চালু হওয়ার সাথে সাথে বজায় থাকবে পুরনো পদ্ধতিও।অর্থ দপ্তর জানাচ্ছে, ডিজিটাল মাধ্যমে লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার পাশাপাশি পুরনো পদ্ধতিতেও সশরীরে ব্যাঙ্কে গিয়েও লাইফ সার্টিফিকেট জমা দিতে পারবেন পেনশন ভোগীরা। পেনশনভোগী ১ নভেম্বর থেকে স্মার্টফোনের সাহায্যে 'ফেস অথেন্টিকেশন'-র মাধ্যমে 'ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট' জমা দিতে পারবেন যদি তারা চান।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।