ট্রেনে লুকিয়ে সুখটান দিলেই বাজবে অ্যালার্ম,

1st November 2023 11:05 am Country News
ট্রেনে লুকিয়ে সুখটান দিলেই বাজবে অ্যালার্ম,


আপনি কি চলন্ত ট্রেনে ধূমপান করেন? তাহলে এখন থেকেই সাবধান ! ধূমপান করলেই হাতে নাতে ধরিয়ে দেবে অত্যাধুনিক স্মোক ডিটেক্টর সিস্টেম। শুধু তাই নয়, ট্রেনে যাতে আগুন থেকে কোনও রকম দুর্ঘটনার না হয়, তার জন্যও বসানো হচ্ছে ফায়ার ডিটেকশন অ্যান্ড ব্রেক অ্যাপ্লিকেশন (এফডিবিএ) সিস্টেমও। মঙ্গলবার এমনটাই জানিয়েছে পূর্ব রেল।

জানা গিয়েছে, যাঁরা ট্রেনে ধূমপানের খারাপ অভ্যাস চালিয়ে যাচ্ছেন তা বন্ধ করার জন্য কোচগুলিতে বসানো হয়েছে অত্যাধুনিক স্মোক ডিটেক্টর। যার ফলে ধূম পান করলেই বেজে উঠবে যেগুলি একবারে তাদের ধরে ফেলবে। ভারতীয় রেলওয়ে কামরাতে একটি ফায়ার ডিটেকশন অ্যান্ড ব্রেক অ্যাপ্লিকেশন (এফডিবিএ) সিস্টেমও ইনস্টল করা হচ্ছে, যাতে কামরাতে সমস্ত ধরণের ধোঁয়া বা আগুনের প্রাদুর্ভাব রোধ করা সম্ভব হয়। এমনকী, এই ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে সতর্কতা বার্তা অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় ব্রেক প্রয়োগ করার মাধ্যমে থেমে যাবে ট্রেনও।

জানা গিয়েছে, যে কোনও ধরনের ধোঁয়া নির্গত হলেই (সিগারেট থেকেও হতে পারে) তা স্মোক সেন্সরে সনাক্ত করা হবে। যে কোনও ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণ প্যানেলে বিশ্লেষণ করা হবে। ধোঁয়ার ঘনত্ব কম হলে কন্ট্রোল প্যানেল অ্যালার্ট দেবে অর্থাৎ লাল বাতি জ্বলবে। ধোঁয়া বেশি হলে বা ছড়িয়ে পড়ার ভয় থাকলে ট্রেনেক কোচের ভিতরও জ্বলে উঠবে লাল বাতি। সেই ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়লে বিপদ বুঝতে পেরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রেন ও থেমে যাবে। 60 সেকেন্ড পর একটি ঘোষণা শুরু হয়ে যাবে যে 'দয়া করে কোচটি খালি করে দিন কারণ আগুন লাগার সম্ভাবনা রয়েছে'।

 

ট্রেনে আগুন লাগার ঝুঁকি কমানোর জন্য বেশিরভাগ দূরপাল্লার ট্রেনের কোচগুলিতে এই সিস্টেম ইনস্টল করা হয়েছে বলেই জানিয়েছে পূর্ব রেল। 138টি পাওয়ার এবং প্যান্ট্রি কার কোচের মধ্যে 138টিতেই বসে গিয়েছে অগ্নি সনাক্তকরণ ব্যবস্থা। পাশাপাশি, পূর্ব রেলওয়ের দীর্ঘ দূরত্বের ট্রেনের 87% এসি যাত্রীবাহী কোচ অর্থাৎ 1092টির মধ্যে 949টি কোচে এফডিবিএ সিস্টেম বসানো হয়ে গিয়েছে। বাকি 143টি কোচে খুব শীঘ্রই এই জাতীয় ডিভাইস যুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছে পূর্ব রেল।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।