সুগার ৩৫০ কিডনির চরম অবস্থা জেল থেকে আবার হাসপাতালে জ্যোতিপ্রিয়?

16th November 2023 6:48 pm Country News
সুগার ৩৫০ কিডনির চরম অবস্থা জেল থেকে আবার হাসপাতালে জ্যোতিপ্রিয়?


আদালতের ভার্চুয়াল শুনানি চলাকালীন হঠাত্‍ই কাতর আর্জি করে জ্যোতিপ্রিয় বলেন, 'আমাকে বাঁচতে দিন'। আচমকা কেন এমন দাবি করেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক? বৃহস্পতিবার জ্যোতিপ্রিয়র মামলার শুনানি ছিল সিটি সেশন কোর্টের ইডির বিশেষ আদালতে। শারীরিকভাবে দুর্বল হওয়ার কারণে এদিন সরাসরি আদালতে হাজির করানো যায়নি জ্যোতিপ্রিয়কে।জেল থেকেই বসে ভার্চুয়াল মাধ্যমে শুনলেন শুনানি। তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নেন বিচারক। জ্যোতিপ্রিয় কাতর গলায় বলেন, 'আমার ৩৫০ সুগার আছে। হাত পা নাড়াতে পারছি না।আমাকে বাঁচতে দিন'। শুনানি চলাকালীন, ধৃত মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার কথা তুলে ধরেন তাঁর আইনজীবীও। দাবি করেন যে গত কয়েকদিনে বনমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। তাঁকে তড়িঘড়ি কোনও সরকারি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে চিকিত্‍সা করাতে হবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।