শীতের মরসুমে নির্ভয়ে খান দেদার মিষ্টি, তবে ওজন ধরে রাখতে মানতে হবে কিছু নিয়ম, সেগুলি কি?

11th December 2023 5:25 pm Country News
শীতের মরসুমে নির্ভয়ে খান দেদার মিষ্টি, তবে ওজন ধরে রাখতে মানতে হবে কিছু নিয়ম, সেগুলি কি?


শরীরচর্চা না করা, দেদার বাইরের খাবার খাওয়া, জল কম খাওয়া— এগুলি হল ওজন বেড়ে যাওয়ার কারণ। তবে এই কারণগুলি ছাড়াও মিষ্টির প্রতি অগাধ প্রেম ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে। শীতকাল হল উৎসবের মরসুম। এই সময়ে নানা উৎসব-অনুষ্ঠানে না চাইতেও মিষ্টি খাওয়া হয়ে যায়। ফলে ওজন বাড়তে থাকে। এমনিতে মিষ্টির প্রতি টান সহজে ভোলার নয়। মিষ্টি খেতে যাঁরা পছন্দ করেন, তাঁদের মিষ্টি খাওয়া থেকে বিরত রাখা সহজ নয়। কিন্তু ওজন বেড়ে যাওয়াও কাজের কথা নয়। ফলে অনেকেই বুঝতে পারেন না, মিষ্টি খাবেন না কি ওজন কমাবেন! পুষ্টিবিদরা অবশ্য জানাচ্ছেন, মিষ্টি খেয়েও রোগা হওয়া সম্ভব। তার জন্য মেনে চলতে হবে কয়েকটি নিয়ম। সেগুলি কী?

খাবার খান বুঝেশুনে

 

ওজন কমাবেন বলে অনেকেই ডায়েটে খালি প্রোটিন আর ফাইবারে সমৃদ্ধ খাবার রাখেন। পুষ্টিবিদরা জানাচ্ছেন, এটা ঠিক নয়। ওজন ঝরাতে প্রোটিন, ফাইবার খাওয়া জরুরি। তবে সারা ক্ষণ এগুলি খেয়ে গেলে চলবে না। মিলিয়ে-মিশিয়ে খেতে হবে। সকালে যদি প্রোটিন খান, তা হলে ফাইবার খান অন্য সময়ে। কার্বোহাইড্রেট খাওয়াও একেবারে বন্ধ করে দিলে হবে না। সেই সঙ্গে দুগ্ধজাত খাবার, ফলও বেশি করে খেতে হবে।

মেপে খান

 

ওজন কমানোর সময়ে কী খাচ্ছেন, তার চেয়েও কতটা খাচ্ছেন সেটা বেশি জরুরি। চাইলে দেদার খাবার খেয়েও রোগা থাকা সম্ভব। যদি পরিমাণ মতো খেতে পারেন। পরিমাণে রাশ টানা অত্যন্ত জরুরি। এমন হতে পারে যে, রোজ বিরিয়ানি খাচ্ছেন, পোলাও খাচ্ছেন, তা-ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এটা তখনই সম্ভব, যখন পরিমাণ মতো খাবেন। মিষ্টির ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য।

শাকসব্জি বেশি খান

 

ফল আর শাকসব্জিতেই লুকিয়ে রয়েছে সুস্থ শরীরের রহস্য। তাই রোজের পাতে শাকসব্জি রাখতে ভুলবেন না। সেই সঙ্গে মরসুমি ফল। এই দুইয়ের গুণেই ওজন থাকবে নিয়ন্ত্রণে। মিষ্টি খেয়েও রোগা থাকার অন্যতম কৌশল হতেই পারে এই খাদ্যাভ্যাস।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।